মধ্য রাতে হিজড়া সম্প্রদায়ের বাসায় বাসায় খাবার পৌঁছে দিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল

0
336

নার্গিস আক্তার স্মৃতি, টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ
হিজড়া সম্প্রদায়ের একটি ফোন পেয়েই তাৎক্ষণিক তার বাসায় এক মাসের খাবার পৌঁছে দেয়ার নির্দেশ দিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মো: জাহিদ আহসান রাসেল। মহামারী করোনার ভাইরাসের প্রকোপে হিজড়া সম্প্রদায়ের বাসায় যখন খাবার নেই তখনই হিজড়া সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মো: জাহিদ আহসান রাসেলকে ফোন দিলেন হিজড়া সম্প্রদায় বলেন তাদের বাসায় কোন খাবার নেই। তাদের বাসা ৫৫নং ওয়ার্ডের মাছিমপুর। দু:খের কথাগুলো শুনে মন্ত্রী মহোদয় সাথে সাথে তাৎক্ষণিক গাজীপুর মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমা হোসেনকে ফোন দিয়ে বিস্তারিত জানালেন এবং হিজড়া সম্প্রদায়ের বাসায় এক মাসের খাবার পৌঁছে দেয়ার নির্দেশ দিলেন। গতকাল মঙ্গলবার মধ্য রাতে তাৎক্ষণিক নির্দেশেই তার বাসায় এক মাসের খাবার পৌঁছে দেয়ার জন্য ছুটে যান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কর্মীবৃন্দ।
মহামারি করোনা ভাইরাসের মহাসঙ্কটে সারা পৃথিবীর মানুষ দিশেহারা। লকডাউনে থাকা ঘরবন্ধি বিশেষ করে দিনে এনে দিনে খাওয়া মানুষগুলো কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এ সময় তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন ভাওয়াল বীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের সুযোগ্য সন্তান, গাজীপুর-২ আসনের পরপর ৪বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ¦ মো: জাহিদ আহসান রাসেল ও গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি। তাদের প্রচেষ্টায় গাজীপুর-২ আসনের করোনা ভাইরাসের কারণে ঘরে আটকে পড়া লকডাউনে থাকা কর্মহীন নিম্ব আয়ের পরিবারের মাঝে এ যাবত ৫০ হাজার কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও উপহার সামগ্রী তুলে দিয়েছেন। এই উপহার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ৫ কেজি চাউল, ২লিটার সয়াবিন তৈল, ২ কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, ২ কেজি পিয়াজ, ১ কেজি লবন ও ২টি সাবান, ছোলা বুট ও ইফতার সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ¦ মো: জাহিদ আহসান রাসের এমপি। গাজীপুর-২ আসনের প্রতিটি ওয়ার্ডে নিম্ব আয়ের পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী উপহার সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মো: জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, আমার পিতা শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার গাজীপুরের মানুষকে আমাদের বংশধর বলে সন্মোবধন করতেন। সুখে দুখে বিপদে আপদে তাদের পাশে থাকতেন। আমি তার সন্তান হিসেবে আমিও বলবো গাজীপুরের সকল জনগণ আমার বংশধর। আমিও তাদের সন্তান হিসেবে তাদের সুখ দুখে তাদের পাশে আছি এবং থাকবো। কোন লোক না খেয়ে অনাহারে মারা যাবে না। আমার উপহার সামগ্রী নিম্ব আয়ের প্রতিটি মানুষের বাসায় বাসায় পৌঁছে যাবে। যারা অনাহারে আছেন খাবার শেষ হওয়ার পূর্বেই আমাকে ফোন করলে আমার লোকজন তাদের বাসায় খাবার পৌঁছে দিবে। বিরতিহীনভাবে কর্মহীন নিম্ব আয়ের মানুষের জন্য আমি সর্বদা নিয়োজিত আছি। আমার কাছে কোন জাতীয় পরিচয়পত্রের প্রয়োজন নেই। গাজীপুরে বসবাসরত জনগণ হিসেবে তাদের সুখ দুখের দায়িত্ব আমারই বহন করতে হবে। নিম্ব আয়ের ঘরে আটকে পড়া লকডাউনে থাকা সাধারণ মানুষের মাঝে খাবার পৌঁছে দেয়ার আমার নৈতিক দায়িত্ব। করোনার পাদুভাবে বেকার হয়ে পড়া মানুষের দুর্দিনে তাদের পাশে দাড়ানো আমার রাষ্ট্রীয় নৈতিক দায়িত্ব। নিম্ব আয়ের মানুষের আয় রোজগার বন্ধ থাকলেও তাদের খাবারের জন্য আমার দরজা উন্মুক্ত এবং বিরতিহীনভাবে চলবে।

গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি বলেন, যতদিন করোনা ভাইরাসের কারণে সাধারণ মানুষ লকডাউনে হোম কোয়ারেন্টে ঘর বন্ধি থাকবে, ততদিন নিম্ব আয়ের মানুষের পাশে আমাদের খাবার সামগ্রী পৌঁছে যাবে। কেউ না খেয়ে অনাহারে মারা যাবে না। আমার বড় ভাই শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার যেভাবে গাজীপুরের মানুষকে বুকে আকড়িয়ে রেখেছেন মন্ত্রী হিসেবে গাজীপুরবাসীর সুখ দুখে সবসময় পাশে থাকবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ¦ জাহিদ আহসান রাসেল। কর্মহীন মানুষের পাশে খাবার পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব আছেন মন্ত্রীর একান্ত সহকারী কাউসার সরকার। এছাড়াও রয়েছেন আওয়ামীলীগ নেতা জাকির হোসেন, যুবলীগ নেতা হাজী বাবুল, ছাত্রলীগ নেতা শাহাজাদা সেলিম লিটন, জসিম মাতাব্বর, লোকমান হোসেন, ইব্রাহিম খলিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here