সাংবাদিক তুহিন সারোয়ারের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার করায় লিগ্যাল নোটিশ

0
62

নিজস্ব প্রতিবেদক- ফেসবুকে সাংবাদিক তুহিন সারোয়ারের নামে ছবিসহ মিথ্যা তথ্য দিয়ে স্ট্যাটাস দেবার কারনে গাজীপুর নিবাসী

এম. আখতারুজ্জামান,সাং-চান্দনা চৌরাস্তা বনরূপা রোড ,পোঃ-চান্দনা, থানা-বাসন, গাজীপুর মহানগর, গাজীপুর এবং মোঃ শামীম হোসেন,পিতা- মোঃ শাহ আলম, গ্রাম-হোসনাবাদ,থানা-গৌরনদী,জেলা বরিশাল, বর্মান ঠিকানা, সাং-রওশন সড়ক, উত্তর চান্দনা (আলী আকবরের বাড়ির ভাড়াটিয়া) পোঃ-চান্দনা, থানা-বাসন, গাজীপুর মহানগর, গাজীপুর। দের কে লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয়েছে ।

অভিযোগ উঠেছে, উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সাংবাদিক তুহিন সারোয়ারের বিরুদ্ধে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ,অশ্লীল, মিথ্যা এবং মানহানিকর তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে তারা । আজ (২ সেপ্টেম্বর) গাজীপুর জর্জকোর্টের আইনজীবী এ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী খোকন ডাকযোগে করে লিগ্যাল নোটিশটি পাঠিয়েছেন।

সাংবাদিক তুহিন সারোয়ারের বিরুদ্ধে এই ধরনের সংবাদ ভিত্তিহীন, মিথ্যা এবং মানহানিকর। কাজেই প্রকাশিত সংবাদটিতে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ, অশ্লীল, মিথ্যা এবং মানহানিকর মন্তব্য করা হয়েছে। এতে সাংবাদিক তুহিন সারোয়ারের পারিবারিক, সামাজিক ভাবমূর্তি গুরুতরভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং চরমভাবে হেয় প্রতিপন্ন হতে হচ্ছে। এতে ব্যবসায়িক ক্ষতির সম্মুখীনও হতে হচ্ছে তাকে। একইভাবে অসম্মানিত হতে হচ্ছে সাংবাদিক তুহিন সারোয়ার এবং তার পরিবারের অন্য সদস্যদের। মিথ্যা এই সংবাদ বাংলাদেশের সংবিধান প্রদত্ত প্রাইভেসি সংক্রান্ত মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী এবং প্রচলিত ফৌজদারি, এবং দেওয়ানি আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। একইসঙ্গে বাংলাদেশের প্রচলিত দণ্ডবিধি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এবং অন্যান্য আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। মিথ্যা, বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করায় আগামী ৭ দিনের মধ্যে আদালতে সশরীরে এসে অভিযোগুলোর প্রমান দাখিল করতে বলা হয় নোটিশে।

এতে আরও বলা হয়, নোটিশ পাওয়ার ৭ দিনের মধ্যে অভিযোগুলোর প্রমানাধী দাখিল করতে না পারিলে, অন্যথায় আমার মোয়াক্কেল  নোটিশ গ্রহিতার বিরুদ্ধে ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৫০০/৫০১ ধারায় মানহানীর মামলা দায়ের করিতে বাধ্য হইবেন। উক্ত পরিস্থিতির জন্য আপনি নোটিশ গ্রহিতাই এককভাবে দায়ী হইবেন ।

উল্লেখ্য যে, লিগ্যাল নোটিশ প্রাপক  শামীম, ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে যাত্রীরা চান্দনা চৌরাস্তা, কোনাবাড়ি ও টঙ্গী এলাকায় বাস থেকে নামলে কৌশলে যাত্রীদের জিম্মি করে তাদের ফ্ল্যাট বাসায় নিয়ে আটকে রাখতেন। পরে তারা ভিকটিমের বাড়িতে ফোন দিয়ে বিকাশের মাধ্যমে টাকা নিয়ে ছেড়ে দিতেন। গাজীপুর পুলিশ লাইনসের রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্স (আরআরএফ) মো. আমীর হোসেন কে এক নারী আমীর হোসেনকে কথা আছে বলে চান্দনা চৌরাস্তা সংলগ্ন ভোগড়া এলাকার কাজিমুদ্দিন স্কুল সড়কের শাহ আলমের বাড়ির তৃতীয় তলায় একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে যান।

সেখানে তাকে হত্যার ভয়ভীতি এবং আপত্তিকর ছবি তুলে পত্রিকায় প্রকাশের হুমকি দিয়ে ৮০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে জয়দেবপুর থানায় মামলা হয়েছিল সুত্র. চ্যানেল সিক্স

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here