back to top

পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি বাংলাদেশেও প্রভাব ফেলতে পারে: নাহিদ ইসলাম

প্রকাশিত: ০৭ মে, ২০২৬ ১৩:৩৩

পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর নির্যাতন ও ভোটাধিকার হরণের ঘটনা বাংলাদেশেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম

তিনি বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের ফলাফলের পর বাংলাদেশের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই স্মৃতি হলে এনসিপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।

নাহিদ ইসলাম বলেন, সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন হয়েছে। বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী এলাকা হিসেবে পশ্চিমবঙ্গ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নির্বাচন ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে চান না।

তবে নির্বাচনের আগে কয়েক লাখ ভোটারের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং তাঁদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব ভোটারের অধিকাংশ ছিলেন মুসলমান ও মতুয়া সম্প্রদায়ের।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, নির্বাচনের পরও পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম, মতুয়া, দলিত ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক উসকানি ও অপপ্রচার ছড়ানোর আশঙ্কার কথাও তুলে ধরেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের ফলাফলের পর বাংলাদেশের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে।

এ দেশের হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সব নাগরিকের নিরাপত্তা এবং অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশবিরোধী ও দেশের স্বার্থবিরোধী গোষ্ঠী নানান ধরনের উসকানি ও সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর চেষ্টা করবে। এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।”

নাহিদ ইসলাম বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যালঘুদের জন্য বাংলাদেশকে সবচেয়ে নিরাপদ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

বাংলার মুসলমান, দলিত ও মতুয়া সম্প্রদায়সহ সবার অধিকারের পক্ষে বাংলাদেশকে কথা বলতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে এনসিপিতে নতুন যোগদানকারীদের স্বাগত জানিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, “আমরা নিজেদের মধ্যে কোনো দ্বন্দ্ব রাখব না। যে যেখান থেকেই আসুক, এনসিপির পতাকাতলে সবাই যোগ্যতা অনুযায়ী ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব। কারণ, ঐক্যই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।”