বিশেষ প্রতিবেদন : কক্সবাজারের পেকুয়ায় একসময়কার জনপ্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাজাখালী এয়ার আলী খাঁন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়টি এখন নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও সংকটে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। অভিযোগ রয়েছে, অভিনব কৌশলে পদ ভাগিয়ে নেয়া প্রধান শিক্ষক জাহেদ উল্লাহ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই স্কুলটির এমন বেহাল দশা।
তিনি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই এ স্কুলে এখন পড়াশোনা নয় বরং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে রুপ নিয়েছে। শিক্ষার্থীদের ভর্তি বাণিজ্য, শিক্ষক এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগে বাণিজ্য এবং অযথা অনুষ্ঠানের নাম করে বিদ্যালয় তহবিল থেকে টাকা গায়েব করা, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নানা অযুহাতে অর্থ আদায়, স্কুলের সম্পদ বিক্রি, শিক্ষক কর্মচারী ও অভিভাবকদের সাথে খারাপ আচরণসহ পাহাড়সম অভিযোগ রয়েছে এ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ রয়েছে, একসময় স্বৈরাচারী শাসক দলের নাম ভাঙিয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে নিজ ক্ষমতার অপব্যবহার করলেও আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বর্তমানেও অদৃশ্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের প্রভাব খাটিয়ে স্বেচ্ছাচারিতা অব্যাহত রেখেছে প্রধান শিক্ষক জাহেদ উল্লাহ।
কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, যে বিদ্যালয়ে খোদ স্কুল প্রধানই সকল অনিয়মের মূল নায়ক, সেখানে ভাল ফলাফল আশা করাটাই ভুল। কেউ কেউ ঠাট্টার ছলে বলেই বসেছে এটি এখন আর স্কুল নেই,পরিণত হয়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে।
বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের অভিযোগ, সদ্য সমাপ্ত এসএসসি পরীক্ষায় ফল বিপর্যয়ে কারণ এয়ার আলী খান উচ্চ বিদ্যালয়ে আসল পরীক্ষার্থী ৮২ জন হওয়া সত্ত্বেও স্কুলের নামে পরীক্ষা দিয়ে ১৯১ জন শিক্ষার্থী।
১০৯ জন শিক্ষার্থী অনুমোদন বিহীন স্কুল গুলো থেকে পরীক্ষা দিয়েছে এবং ৫৫% ফেল করেছে। একতো অনিয়ম তার ওপর ব্যাপক দূর্ণীতি। ভিলেন প্রধান শিক্ষক জাহেদ উল্লাহ।
সরকারি খরচে এক হাজার ৬শ থেকে ২ হাজার টাকায় ভর্তি হওয়ার কথা থাকলেও অনুমোদনহীন স্কুলগুলো থেকে ভর্তি হওয়া ১০৯ জন প্রত্যেকের ভর্তি ফরম পূরণে টাকা নেওয়া হয় ৬ হাজার করে।
বাকি ৪ হাজার থেকে চার হাজার ৪শ টাকা বিদ্যালয়ের ফান্ডে জমা না করে কোন প্রকার হিসাব না দিয়ে প্রধান শিক্ষক নিজেই আত্মসাৎ করেছেন বলেও অভিযোগ উঠে।
স্কুলটিতে এবার এসএসসির ফলাফল বিপর্যয় নিয়ে কায়েছ ইনস্ট্রাগাম টাইমলাইনে বিপি আইডি থেকে করা একটি পোষ্টে তিনি লেখেন, রাজাখালী এয়ার আলী খাঁন আদর্শ উচচ বিদ্যালয়। এর পাশের হার দেখে আমি বিমোহিত! মাত্র ৪৫% পাশের হার! এই দায় কার?
৫/৭ বছর আগে যে শিক্ষকেরা ছিলেন তারা ছিলেন স্টুডেন্টদের প্রতি নিবেদিত প্রাণ। আর এখন এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিণত হয়েছে একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান।
অত্যাধিক মাসিক ফি, বিশেষ ক্লাসের নামে নতুন ব্যবসার ফাঁদ, আরো নানা অনিয়মে ভরপুর এই বিদ্যালয়। বর্তমানে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হাতেগোনা কয়েকজন ভাল শিক্ষক থাকলেও বাকি সব এক একটা বড় বড় ব্যবসায়ী।
অভিযোগ জমা পড়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপপরিচালক ও কক্সবাজার জেলা শিক্ষা অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরেও।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্থানীয় এলাকার কয়েকজন সচেতন নাগরিক এলাকাবাসীর গণস্বাক্ষর নিয়ে এসব দপ্তরে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যালয়টিতে যেসব শিক্ষক ব্যাচ/প্রাইভেট পড়ায় তাদের কাছ থেকে ১০-১৫% হারে কমিশন নেন প্রধান শিক্ষক জাহেদ উল্লাহ। কোন শিক্ষক কমিশন দিতে না চাইলে তাদের সাথে দুর্ব্যবহার এবং রুটিনে কোন ক্লাস না রাখাসহ নানাভাবে তাদের মানসিক অত্যাচার করা হয়।
বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব এসিস্ট্যান্ট নিয়োগে কম্পিউটার ডিপ্লোমার চাহিদা উপেক্ষা করে সাড়ে তিন লাখ টাকার বিনিময়ে ইলেকট্রনিক/মেকানিকাল ডিপ্লোমার প্রার্থীকে নিয়োগ দেয়া হয়, যে কম্পিউটার সম্পর্কে কিছুই জানেন না।
অভিযোগ রয়েছে বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র, প্রশংসাপত্রসহ নানান ধরনের সনদ হতে প্রাপ্ত অর্থের কোন হিসাব বিদ্যালয়ে না দিয়ে প্রধান শিক্ষক নিজেই আত্মসাৎ করেন।
তাছাড়া প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে চার-পাঁচদিন ব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের নামে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের দাওয়াত দিয়ে খাবার খাইয়ে বিদ্যালয়ের অর্থের অপচয় করা হয়।
অভিযোগে উল্লেখ আছে, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন লোহার দরজা জানালা স্ক্রাপ হিসেবে বিক্রি ও বিদ্যালয়ের নানান সরঞ্জামাদি ক্রয়ে ভুয়া মানি রিসিট বানিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেন জাহেদ উল্লাহ।
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্টানের নামে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে ডোনেশন তুলে ও বিদ্যালয় ফান্ড অর্থ নিয়ে মেজবান আয়োজন করা হয়। সে আয়োজনে বিদায়ী শিক্ষার্থীদেরই খাবার না দিয়ে পার্শ্ববর্তী বাজারের দোকানদার থেকে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিজের পক্ষে রাখার জন্য খাবার খাওয়ানো হয়, এমন অভিযোগও উঠে আসে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ রয়েছে স্কুলটির প্রধান শিক্ষক জাহেদ উল্লাহ এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে নানান খাতে অর্থ আদায় করে তা বিদ্যালয়ে হিসাব না দিয়ে নিজেই আত্মসাৎ করেছেন।
বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাইদুল ইসলাম চৌধুরীর অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় প্রধান শিক্ষক মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অন্য স্কুলের শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন করিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দেন। এর ফলে বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল পূর্বের তুলনায় খারাপ হয়েছে, যা বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুন্ন করেছে।
এছাড়াও অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক জাহেদ উল্লাহ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ লাভ করেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি শিক্ষার্থীদের ভর্তি বাণিজ্য, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগে নিয়োগ বাণিজ্য এবং অযথা অনুষ্ঠানের নাম করে বিদ্যালয় তহবিল থেকে টাকা আত্মসাৎ করছেন।
তিনি আরও জানান, প্রধান শিক্ষক জাহেদ উল্লাহ এই বিষয়গুলো ধামাচাপা দিতে তাকে মোটা অঙ্কের টাকা দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছেন। এমনকি প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও লেখালেখি হয়েছে।
এর আগেও প্রধান শিক্ষক জাহেদ উল্লাহর বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়। অভিযোগ আমলে নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রাম থেকে সতর্কীকরণ নোটিশও দেওয়া হয় অনিয়মের বেড়াজালে খুড়িয়ে চলা স্কুলটির প্রধান শিক্ষককে।
নিয়োগ পরীক্ষায় প্রধান শিক্ষক পদে মোট ৭ জন প্রার্থী আবেদন করলেও রহস্যজনক কারণে চকরিয়ার বরইতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নুরুল আবছারকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ডাকা হয়নি। ফলে ৬ ডামি প্রার্থী উপস্থিত করেই অভিনব কৌশলে প্রধান শিক্ষকের পদ ভাগিয়ে নেয়ার জন্য নিয়োগে এ তড়িগড়ি।
অভিযোগ রয়েছে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সবাই সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জাহেদ উল্লাহর এক সময়ের শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকর্মী।
সুচতুর জাহেদ উল্লাহ নিজের নিয়োগকে পাকাপোক্ত করতে এসব প্রার্থীকে ভাড়া করে এনে সাজানো নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করিয়েছেন।
রাজাখালী এয়ার আলী খাঁন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. জাহেদ উল্লাহ (অনিয়মের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক পদে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত) ছাড়াও এদিন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা অন্য প্রার্থীরা হলেন, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ আকতার আহমদ, বারবাকিয়া হোসনে আরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফা আলী, টইটং উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. রাশেদুল ইসলাম, শিলখালী হাই স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক বারেক আহমদ, চকরিয়ার দরবেশ কাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজগর হোসেন।
ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি চলাকালীন বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে সাজানো নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনের মাধ্যমে জাহেদ উল্লাহকে এক নম্বরে উত্তীর্ণ দেখিয়ে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এছাড়াও এ নিয়োগ পরীক্ষার আগের দিন ডিজির প্রতিনিধির কাছ থেকে জাহেদ উল্লাহ মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নও কিনে নেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
প্রশ্নবিদ্ধ নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নিরপেক্ষভাবে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জন্য স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোরালো দাবি জানিয়েছেন।
ওই বছরের ৩ আগষ্ট থেকে প্রধান শিক্ষক মো. জাহেদ উল্লাহর বিরুদ্ধে স্থানীয় সচেতন ব্যাক্তিরা গণস্বাক্ষরের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে অভিযোগ দিতে শুরু করে।
আর কিছু টাকা ব্যয় হতো রাজনৈতিক নেতাদের তোষামোদেও। তবে বেশিরভাগ সময় বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের নামে রাজনৈতিক নেতাদের দাওয়াত দিয়ে তাদের খুশি করা হতো। আর তেলবাজিতে নিজে বাজিমাত করলেও অর্থ অপচয় হতো বিদ্যালয়ের।
জুলাই বিপ্লবের পর গেল বছরের ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হলে বিদ্যালয়টির কিছু ছাত্র প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ইউএনও বরাবর অভিযোগ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি শুরু করে।
তবে এরই মাঝে স্থানীয় কিছু সুবিধবাজ বিএনপি নেতাদের ঘনিষ্টজন হয়ে যান চতুর শিক্ষক জাহেদ উল্লাহ। যারাই তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলে তাদেরকে সন্ত্রাসী লেলিয়ে হুমকি দেয়া হয়। ফলে অদৃশ্য প্রেশারে ও টাকার বিনিময়ে অনেকেই অভিযোগ তুলে নেন।
এছাড়াও অভিযোগকারীদের সমঝোতার কারণে নিয়ম রক্ষায় ইউএনও এর নির্দেশে উপজেলা শিক্ষা অফিসার এর নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি যেনতেনভাবে রিপোর্ট দেন।
এলাকাবাসী ও স্কুলের শুভানুধ্যায়ীদের ধারণা কালো টাকায় সবার মাথা কিনেছে এ শিক্ষক। সকলের মাথায় এখনও ঘুরপাক খাচ্ছে একটিই প্রশ্ন, জাহেদ উল্লার খুঁটির জোড় কোথায়?
খোলস পাল্টে আগের মতোই অনিয়মের বেড়াজালে জড়িয়ে পড়েন জাহেদ উল্লাহ। এখনও আগের মতোই বিদ্যালয়ের সম্পদ স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি করে দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ, অহেতুক সরঞ্জামাদি ক্রয়ে ভুয়া মানি রিসিট বানিয়ে অর্থ আত্মসাৎ, নানান অজুহাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করে যাচ্ছে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক।
তিনি যথাযথ প্রক্রিয়ায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পেয়েছেন উল্লেখ করে একটি মহল তার নিয়োগকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে ষড়যন্ত্র শুরু করেছেন বলে দাবি করেন গণমাধ্যমে।
তবে অভিযোগের বিষয়গুলো নিয়ে বর্তমান পরিস্থিতি জানতে প্রধান শিক্ষক জাহেদ উল্লাহর মুঠোফোনে সিএসপি প্রতিবেদক একাধিকবার কল করলেও তিনি ফোন না ধরায় তা সম্ভব হয়নি।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রামের বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রফেসর ড. বিপ্লব গাঙ্গুলীর সই করা এই আদেশ জারি করা হয়।
এতে আবু জাফরকে সভাপতি করে এ কমিটি অনুমোদন করা হয়। কমিটিতে শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন ছোটন কান্তি সুশীল। অভিভাবক সদস্য হিসেবে রয়েছেন হোসনে আরা রাখি। আর প্রতিষ্ঠানের বর্তমান প্রধান শিক্ষক জাহেদ উল্লাহ সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
এই এডহক কমিটিকে অবশ্যই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম এর প্রবিধানমালা- ২০২৪ এ বর্ণিত প্রবিধান ১০, ১১, ১২, ১৩ ও ১৪ অনুসারে নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি গঠনের কাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়া, ৬৫ (২) অনুসারে এডহক কমিটি ম্যানেজিং কমিটির সকল ক্ষমতা প্রয়োগ এবং সকল দায়িত্ব পালন করবে।
আপনার মতামত লিখুন :