back to top

চট্টগ্রামে বাস-সিএনজি স্ট্যান্ড ও ফুয়েল স্টেশনে একযোগে মনিটরিং

অতিরিক্ত ভাড়ায় জরিমানা

প্রকাশিত: ১৯ মার্চ, ২০২৬ ১৬:২৪

বিশেষ প্রতিবেদন : পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রামজুড়ে সড়ক, বাস কাউন্টার ও ফুয়েল স্টেশনগুলোতে ব্যাপক মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুর ১২টা থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে নগরীর নতুনব্রিজ, অক্সিজেন মোড়, হাটহাজারী, বায়েজিদ, দামপাড়া সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তদারকি জোরদার করা হয়।

যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ, যানজট নিরসন এবং জ্বালানির সঠিক সরবরাহ নিশ্চিত করাই ছিল এই অভিযানের মূল লক্ষ্য।

নতুনব্রিজ এলাকায় সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাইয়ান ফেরদৌস এবং ইজাহারুল আহম্মেদ শিহাব সিএনজি স্ট্যান্ডে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে জরিমানা আদায় করেন। একই সঙ্গে বাস কাউন্টারগুলোতে বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়া অনুসরণ করা হচ্ছে কিনা তা তদারকি করা হয়।

ফুয়েল স্টেশনগুলোতে জ্বালানির অবৈধ মজুদ, সঠিক পরিমাপ ও নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা হয়। নতুনব্রিজ ও সীতাকুণ্ড উপজেলার তিনটি ফুয়েল স্টেশনে অর্ধলক্ষাধিক টাকা জরিমানা করা হয়।

এদিকে সহকারী কমিশনার তামজিদূর রহমান ও সুমন মন্ডল অপু অক্সিজেন মোড়, হাটহাজারী, বায়েজিদ ও দামপাড়া বাসস্ট্যান্ডে অভিযান চালিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে পরিবহন সংশ্লিষ্টদের জরিমানা করেন এবং সতর্ক করেন।

বোয়ালখালী উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ফুলতল থেকে রেল বিট এলাকা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করেন।

সেখানে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ না পাওয়া গেলেও যানজট নিরসন ও পথচারীদের নিরাপদ চলাচলে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। এসময় বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

মিরসরাই উপজেলার বারৈরহাট ও পৌরসভা মহাসড়কে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোমাইয়া আক্তারের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। চয়েস বাস কাউন্টারসহ বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে অভিযান চালানো হয়।

পটিয়া উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) রয়া ত্রিপুরা সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে তিনটি গণপরিবহনকে জরিমানা করেন।

এসময় ড্রাইভিং লাইসেন্স, রুট পারমিট, ট্যাক্স টোকেন ও রেজিস্ট্রেশন যাচাই করা হয় এবং যাত্রীদের কাছ থেকেও তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ঈদের ছুটিতে যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে এবং সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।