AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

চট্টগ্রামে জুলাই অভ্যুত্থান স্মরণে ম্যারাথনে দৌড়ালেন ৬৫০ প্রতিযোগী | ক্রাইম বাংলা | Crime Bangla
back to top

চট্টগ্রামে জুলাই অভ্যুত্থান স্মরণে ম্যারাথনে দৌড়ালেন ৬৫০ প্রতিযোগী

প্রকাশিত: ১৮ জুলাই, ২০২৫ ০৭:৪৭

২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে স্মরণ করে এ বছর ১৮ জুলাই পালিত হচ্ছে অভ্যুত্থান দিবস। এ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জেলায় আয়োজিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী মিনি ম্যারাথন।

যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া রাজধানীতে এই কর্মসূচি শুরু করেন।

তারই অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতীকী ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার (১৮ জুলাই) সকাল ৭টায় প্রধান অতিথি বেলুন উড়িয়ে প্রতীকী ম্যারাথন উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন।

ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করেন ৬৫০ জন প্রতিযোগী। উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম।

প্রতীকী ম্যারাথনের মেয়েদের বিভাগে শ্রাবণী চৌধুরী (১ম স্থান), তাবাসসুম সোবাহ (২য় স্থান) ও মোসাম্মাত সোহানা (৩য় স্থান) বিজয়ী হন।

ছেলেদের বিভাগে মুসফিকুর রহমান (১ম স্থান), মোহাম্মদ সুমন (২য় স্থান) ও আবু নসর (৩য় স্থান) বিজয়ী হয়েছেন।

ম্যারাথনের পুরস্কার বিতরণ শেষে গণতন্ত্র, অধিকার ও ন্যায়বিচারের পক্ষে তরুণ সমাজের গতিশীল ভূমিকার প্রতীকী বার্তা প্রদান করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ম্যারাথনে বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানসহ অভিনন্দন জানিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেছে।

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ১২ জন সাহসী যোদ্ধাকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করে তাদের ত্যাগ ও সাহসী ভূমিকার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। এছাড়া ম্যারাথনে অংশগ্রহণকারী এবং সফলভাবে ম্যারাথন সম্পন্নকারী সকলকেই মেডেল ও সনদ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিচালক, স্থানীয় সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এল এ), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জেলা ক্রীড়া অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এছাড়া সাধারণ শিক্ষার্থী, জুলাইয়ে আহত যোদ্ধা, ক্রীড়াবিদ, যুব সমাজ, সামাজিক সংগঠনের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেন।