AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

সিইউএফএলে বেতন বৈষম্যের প্রতিবাদে শ্রমিক-কর্মচারীদের বিক্ষোভ | ক্রাইম বাংলা | Crime Bangla
back to top

সিইউএফএলে বেতন বৈষম্যের প্রতিবাদে শ্রমিক-কর্মচারীদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত: ১৪ আগস্ট, ২০২৫ ১৩:১০

‘এক কর্পোরেশন এক বেতন স্কেল’ বাস্তবায়নসহ চার দফা দাবিতে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও গেইট মিটিং করেছে চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) সার কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীরা।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় সিইউএফএল শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্যজোটের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

কারখানায় নিয়োজিত শ্রমিক-কর্মচারীদের এক কর্পোরেশন এক বেতন স্কেল, কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ, পে-কমিশনভুক্ত শ্রমিকদের ন্যায় ৫% প্রনোদনা এরিয়া ও ১৫% বিশেষ সুবিধা, দ্রুত প্রমোশনে উচ্চতর গ্রেড ও লাম্পগ্রান্টসহ চার দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান শ্রমিক-কর্মচারীরা।

সিইউএফএল শ্রমিক-কর্মচারী নেতা সৈয়দ আসলাম আলীর সভাপতিত্বে শ্যামল কান্তি নাথের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জালাল আহমেদ, আনোয়ারুল আজিম সবুজ, আলম মজুমদার, হারুন উর রশিদ, রবিউল আলম খান, ফরিদুল আলম চৌধুরী, আনিসুর রহমান, মাহমুদুল হাসান ডালিম, ইউসুফ আলম খান, হুমায়ুন কবির, নওশাদ আরমান সাকিব।

বিক্ষোভ সমাবেশে শ্রমিক নেতা সৈয়দ আসলাম আলী বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ কেমিক্যাল অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের অধীনে সিইউএফএল সার কারখানা রয়েছে।

এই কারখানায় টেকনিশিয়ান ও অপারেটরদের আলাদা একটি স্কেলে বৈষম্যের মধ্যে রাখা হয়েছে। আমাদের একটাই দাবি আমরা বেতন কমিশনে আসতে চাই।

শ্রমিক নেতা জালাল আহমেদ বলেন, গত চারমাস ধরে সিইউএফএলে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। এ কারখানায় দৈনিক ১১০০ মেট্রিকটন ইউরিয়া সার উৎপাদন সম্ভব।

কিন্তু দেশের এই বৃহত্তর কারখানা বন্ধ রেখে সরকার বিদেশ থেকে বেশি মূল্যে সার সরবরাহ করতেছে। অথচ শুধু গ্যাস সংযোগের অভাবে আমাদের কারখানা বন্ধ রয়েছে। দ্রুত কারখানায় গ্যাস সংযোগ চালু করে সার উৎপাদন শুরু করার দাবি জানাচ্ছি।

শ্রমিকদের সঙ্গে এমন বৈষম্য আর সহ্য করা যাবে না বলে জানিয়ে আনোয়ারুল আজিম সবুজ বলেন, বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট সরকার পে-স্কেলভুক্ত সকলকে ৫% প্রণোদনা দিলেও বঞ্চিত করেছে মজুরি স্কেলভুক্ত সাধারণ শ্রমিকদের। যাদের জন্য এ প্রণোদনা ছিল সবচেয়ে বেশি জরুরি।

বর্তমান সরকার সরকারি সব শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য ১৫% বিশেষ সুবিধা কার্যকর করলেও দুঃখজনকভাবে মজুরি স্কেলভুক্ত শ্রমিকদের এই বিশেষ সুবিধা থেকে বঞ্চিত রেখেছে।

ফলে বৈষম্যবিরোধী আমরা যে বৈষম্যহীন ন্যায্য মজুরির স্বপ্ন দেখেছিলাম তা অন্ধকারে যায়। তাই দ্রুত মজুরি কমিশন গঠন করে শ্রমিকদের দাবি বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছি।

পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল সারকারখানা চত্বর প্রদক্ষিণ করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেন।