AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

পুলিশ কর্মকর্তা মোজাম্মেল দম্পতির ১৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ | ক্রাইম বাংলা | Crime Bangla
back to top

পুলিশ কর্মকর্তা মোজাম্মেল দম্পতির ১৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ

প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট, ২০২৫ ১২:১৬

পুলিশের অ্যান্টিটেররিজম ইউনিটের অতিরিক্ত ডিআইজি গাজী মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে ১৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুদক।

এ বিষয়ে তার সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশও জারি করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই মোজাম্মেল দম্পতির মালিকানাধীন একাধিক সম্পদ জব্দ করেছে সংস্থাটি।

দুদক জানিয়েছে, ব্যাংক খাত ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতায় এমন অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ায় মামলা ও অনুসন্ধান কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

সংস্থাটি মনে করছে, এসব মামলার সুষ্ঠু বিচার হলে আর্থিক খাতে দায়মুক্তির সংস্কৃতিতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগবে।

রোববার (৩১ আগস্ট) দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, দুদকের তথ্যানুসন্ধানে তাদের অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়ার পর সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছে সংস্থাটি।

এর আগে চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি গাজী মো. মোজাম্মেল হক, তার স্ত্রী ফারজানা মোজাম্মেল ও মেয়ে গাজী বুশরা তাবাসসুমের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব অবরুব্ধ করার আদেশ দিয়েছিলেন আদালত।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়, গাজী মো. মোজাম্মেল হক ১৭তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পুলিশ ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে ১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে যোগ দেন। পরে বিভিন্ন সময়ে পদোন্নতি পেয়ে বর্তমানে অ্যান্টিটেররিজম ইউনিটে কর্মরত আছেন।

আয় ও ব্যয়সহ এই পুলিশ কর্মকর্তার অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ২৭ কোটি ৪৯ লাখ ১২ হাজার ৩৮২ টাকা।

এর বিপরীতে তার বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া যায় ১৫ কোটি ৮০ লাখ ১৮ হাজার ৩১৩ টাকা। অর্থাৎ তার অবৈধ সম্পদের পরিমাণ ১১ কোটি ৬৮ লাখ ১৪ হাজার ৬৯ টাকা।

অন্যদিকে তার স্ত্রী ফারজানা মোজাম্মেলের মোট সম্পদের পরিমাণ ৮ কোটি ৩১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৮৮ টাকা।

এই সম্পদের বিপরীতে তার ৫ কোটি ৪৫ লাখ ৯০ হাজার ৯০৩ টাকার বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া যায়। অর্থাৎ ফারজানা মোজাম্মেল ২ কোটি ৮৫ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৫ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন।