AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

পটিয়ার আলোচিত সোহেল হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাকলিয়ায় গ্রেপ্তার | ক্রাইম বাংলা | Crime Bangla
back to top

পটিয়ার আলোচিত সোহেল হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাকলিয়ায় গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৮:২৯

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (সিএমসিসিআই) সভাপতি এবং কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানের ভাগ্নে ও পটিয়ায় সাবেক ছাত্রদল নেতা মো. সোহেল হত্যা মামলার প্রধান আসামি মোহাম্মদ কায়েসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া থানার কল্পলোক আবাসিক এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করে সেনাবাহিনী ও পুলিশ।

গ্রেপ্তার মোহাম্মদ কায়েস (৪৫) পটিয়া উপজেলার কাশিয়াইশ ইউনিয়নের বুধপুরা এলাকার ইউসুফ সওদাগরের ছেলে।

তিনি ২০১৬ সালে পটিয়া কাশিয়াইশ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির হয়ে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পটিয়া উপজেলার কাশিয়াইশ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কাসেমের ছোট ভাই মোহাম্মদ সোহেলকে ২০২২ সালের ২২ এপ্রিল ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়।

ওই ঘটনার পর স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাসেম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলায় মোহাম্মদ কায়েসকে প্রধান আসামি করা হয়। মামলার অন্য আসামিরা হলেন—মোহাম্মদ শরীফ, মোহাম্মদ মনছুর, মোহাম্মদ সুমন, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, জসিমুল আনোয়ার খান, মোহাম্মদ আজগর ও কায়সার উদ্দিন জনি।

দীর্ঘদিন ধরে প্রধান আসামি কায়েস পলাতক ছিলেন। অবশেষে তার অবস্থান নিশ্চিতের পর বাকলিয়া এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের বিশেষ টিম যৌথ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

মামলার বাদী আবুল কাসেম জানান, তার ছোট ভাইকে নির্মমভাবে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছিল। ঘটনার পর অভিযুক্ত কায়েস গ্রেপ্তার হলেও পরবর্তীতে তিনি জামিনে মুক্তি পান। এরপর থেকেই তার বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে বাকলিয়া থানার ডিউটি অফিসার ও এএসআই রুমা বড়ুয়া জানান, পটিয়া থানার একটি হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ টিম আটক করেছে।

যেহেতু মামলাটি পটিয়া থানার, তাই আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষ করে তাকে সেখানে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।