AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

উপদেষ্টার আশ্বাসে বন্দরের কর্মবিরতি দুইদিন স্থগিত | ক্রাইম বাংলা | Crime Bangla
back to top

উপদেষ্টার আশ্বাসে বন্দরের কর্মবিরতি দুইদিন স্থগিত

প্রকাশিত: ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০১

চট্টগ্রাম বন্দরে চলমান লাগাতার কর্মবিরতি দুই দিনের জন্য স্থগিত করেছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বন্দর ভবনে নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর।

তিনি বলেন, নৌ উপদেষ্টার দেওয়া আশ্বাস অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আগামী রোববার থেকে পুনরায় কর্মবিরতি কর্মসূচি শুরু করা হবে।

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে চলমান আন্দোলনের ষষ্ঠ দিনে এই ঘোষণা দেন সংগ্রাম পরিষদের নেতারা।

এর আগে শনিবার থেকে টানা তিন দিন প্রতিদিন আট ঘণ্টা করে এবং মঙ্গলবার থেকে লাগাতার কর্মবিরতি পালন করে আসছিলেন তারা।

এ সময় বন্দর কর্তৃপক্ষ কোনো আলোচনার উদ্যোগ না নিয়ে কর্মচারীদের বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়ায় আন্দোলন কর্মসূচি আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের কথা তুলে ধরে সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক ইব্রাহীম খোকন বলেন, ‘উপদেষ্টা মহোদয়ের সঙ্গে বৈঠকে আমরা চারটি দাবি জানিয়েছি। এই চারটি হলো নিউমুরিং টার্মিনাল ডিপিওয়ার্ল্ডকে দেওয়া যাবে না।

কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, সেগুলো প্রত্যাহার করতে হবে। বন্দর চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের পদত্যাগও দাবি করেছি।’

ইব্রাহীম খোকন বলেন, ‘নিউমুরিং টার্মিনাল নিয়ে তিনি (উপদেষ্টা) উচ্চপর্যায়ে আলাপ করার কথা বলেছেন। বাকি দাবিগুলোর বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন।

এ জন্য আমরা শনিবার পর্যন্ত কর্মসূচি স্থগিত করেছি। তবে শনিবারের মধ্যে যদি কোনো সিদ্ধান্ত না আসে, তাহলে রোববার থেকে কর্মসূচি আবার চলবে।’

শনিবার থেকে তিন দিন আট ঘণ্টা করে কর্মবিরতি কর্মসূচির কারণে বন্দরের পরিচালন কাজ ব্যাহত হয়েছিল। তবে মঙ্গলবার থেকে লাগাতার কর্মবিরতির পুরো বন্দরের কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি হয়।

এ পরিস্থিতিতে নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন আজ সকালে চট্টগ্রাম বন্দরে আসেন।

বন্দরের চার নম্বর গেটের ফটকের বাইরে তিনি আন্দোলনরতদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন। পরে বিকেলে তিনি আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বন্দর ভবনে বৈঠক করেন।

বৈঠক থেকে বেরিয়ে নৌ উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেন, ‘রোজার আগে বন্দর বন্ধ করে এ ধরনের আন্দোলন অত্যন্ত অমানবিক।

বন্দর বন্ধ রাখার কারও কোনো এখতিয়ার নেই। বাধা দিলে সরকার হার্ডলাইনে যেতে পারবে। কাল সকাল থেকে সচল না হলে সরকার হয়তো অন্যভাবে দেখবে।’

নিউমুরিং টার্মিনালের চুক্তি নিয়ে এম সাখাওয়াত বলেন, ‘চুক্তি বোধ হয় ঠেকানো যাবে না। তবে দেশের ক্ষতি করে কোনো চুক্তি হবে না।’

ডিপিওয়ার্ল্ডের সঙ্গে নেগোসিয়েশন চূড়ান্ত হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এখনো চূড়ান্ত হয়নি।