AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সিবিএ নেতা হুমায়ুন কবিরের বিস্ফোরক মন্তব্য! | ক্রাইম বাংলা | Crime Bangla
back to top

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সিবিএ নেতা হুমায়ুন কবিরের বিস্ফোরক মন্তব্য!

প্রকাশিত: ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৯:৪৭

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল সৈয়দ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে ভারতীয় বলে মন্তব্য করেছেন পরিষদের সমন্বয়ক ও জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের (সাবেক বন্দর-সিবিএ নেতা) মো. হুমায়ুন কবির।

গতকাল শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের বোর্ড অব ডিরেক্টরসে কিছু রাঘববোয়াল বসানো হয়েছে। এর সঙ্গে বন্দর চেয়ারম্যানও জড়িত থাকতে পারেন।

এই বোর্ড অব ডিরেক্টরসে শুধুমাত্র একজন বাংলাদেশি, একজন ভারতীয়ের নাম আছে।’

তিনি অভিযোগ করেন, বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর সঙ্গে ডিপি ওয়ার্ল্ডের একটা চুক্তি আছে যে, এই কাজটা করে দিতে পারলে উনাকে ৬০০ কোটি টাকা কমিশন দেওয়া হবে।

এ কারণে বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী জানালেন দ্রুত চুক্তি করতে হবে। সেই চুক্তির রিকুইজিশন পেপারে স্বাক্ষরের জন্য বিডা অফিসে আমাদের ৩৫ জন কর্মকর্তাকে জিম্মি করে রাখা হলো।

আমাদের কর্মকর্তারা সেখানে বসে বসে কেঁদেছে, কিন্তু তাদেরকে কোনোভাবে ওখান থেকে আসতে দেওয়া হয়নি।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, পরবর্তী সময় আমাদের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের চিফ, আমাদের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের ডেপুটি চিফসহ আমাদের কিছু ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এটা করতে বাধ্য করেছেন। সূত্র: কালের কণ্ঠ

ডিপি ওয়ার্ল্ডকে প্রথমে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তারা প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। আলাপ আলোচনা চলেছে ডিপি ওয়ার্ল্ডের প্যাডে।

কিন্তু চুক্তি যখন করা হচ্ছে তখন নাম এসেছে ডিপি ওয়ার্ল্ড এফ জেড ই। অর্থাৎ এটি একটি নতুন কম্পানি, ডিপি ওয়ার্ল্ডের সিস্টার কনসার্ন।

তিনি বলেন, ‘সারা বিশ্বে ডিপি ওয়ার্ল্ডের অবস্থান পঞ্চম নাম্বারে। কিন্তু এফ জেড ই’র কোনো অবস্থান নেই। এর অর্থ, বাংলাদেশে যারা ডিপি ওয়ার্ল্ড এর নামে চুক্তি করছে, প্রকৃত ডিপি ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশে আসেনি।

বরং ডিপি ওয়ার্ল্ডকে কন্টেইনারে ৭% কমিশন দিয়ে নতুন একটি ডিপি ওয়ার্ল্ড এফ জেড ই তৈরি করে চুক্তি করা হয়েছে। এটা হচ্ছে টোটালি জোচ্চুরি।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান এই বিষয়গুলো এড়িয়ে গিয়ে এই চুক্তি বোর্ডে পাশ করিয়ে সরকারের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

আমি আপনাদেরকে শুধু একটা আশঙ্কার কথা বলি, এই মনিরুজ্জামান যদি চট্টগ্রাম বন্দরে থাকে, তাহলে শুধু এই চট্টগ্রাম বন্দর না, পুরো দেশটাকেই বিক্রি করে দিবে।