AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

খামেনির মৃত্যু কখন হয়েছে, জানাল ইরান: ৪০ দিনের শোক! | ক্রাইম বাংলা | Crime Bangla
back to top

খামেনির মৃত্যু কখন হয়েছে, জানাল ইরান: ৪০ দিনের শোক!

প্রকাশিত: ০১ মার্চ, ২০২৬ ০৫:৩৩

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল।

তারা জানিয়েছে, আয়াতুল্লাহ খামেনি গতকাল শনিবার ভোরে তাঁর দপ্তরে ‘দায়িত্ব পালনরত অবস্থায়’ নিহত হন। খবর বিবিসির।

বিবিসি ভেরিফাই স্যাটেলাইট চিত্র ব্যবহার করে তেহরানে খামেনির দপ্তর ‘লিডারশিপ হাউস’ প্রাঙ্গণের কিছু অংশে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, নিজ দপ্তরে খামেনির মৃত্যু প্রমাণ করে যে, তাঁর আত্মগোপনে থাকার খবরগুলো ছিল মূলত ‘শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ।’

এর আগে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে ইরানি গণমাধ্যম ফার্স নিউজ। তাঁর মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়।

ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি খামেনির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছে, তিনি তাঁর ‘নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনকালে মারা গেছেন।’

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আজ রোববার ভোরের দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণার কথাও জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

এর আগে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই দাবি করেন।

তিনি খামেনিকে ইতিহাসের অন্যতম ‘নিকৃষ্ট ব্যক্তি’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, এটি কেবল ইরানি জনগণের জন্য নয়, বরং সারাবিশ্বের জন্য ন্যায়বিচার।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর পোস্টে লিখেন, ‘ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তি খামেনি মারা গেছেন।

খামেনি ও তাঁর রক্তপিপাসু বাহিনীর হাতে নিহত বা পঙ্গু হওয়া অসংখ্য আমেরিকান এবং বিশ্ববাসীর জন্য আজ সুবিচার প্রতিষ্ঠিত হলো।’

তিনি আরও বলেন, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এবং অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং সিস্টেমের নজর এড়াতে পারেননি খামেনি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানে খামেনি এবং তাঁর সঙ্গে থাকা অন্যান্য শীর্ষ নেতারা পালানোর কোনো সুযোগ পাননি। ইরানি জনগণের জন্য এখন তাদের দেশ ফিরে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

ট্রাম্প তাঁর পোস্টে দাবি করেন, ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি), সেনাবাহিনী এবং পুলিশ বাহিনীর অনেক সদস্যই আর যুদ্ধ করতে চাচ্ছেন না এবং তারা আমেরিকার কাছে দায়মুক্তি (ইমিউনিটি) প্রার্থনা করছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি গত রাতেই বলেছিলাম—এখন চাইলে তারা দায়মুক্তি পাবে, কিন্তু দেরি করলে কপালে মৃত্যু আছে!’

ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন, খামেনির মৃত্যুর পাশাপাশি মাত্র এক দিনের অভিযানেই ইরান রাষ্ট্রটি অনেকটা ধ্বংস বা ‘বিলীন’ হয়ে গেছে। তবে এখানেই থামছে না অভিযান।

তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্য এবং পুরো বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত সপ্তাহজুড়ে এই বোমা হামলা অব্যাহত থাকবে।

এদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি আর নেই। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলতে পারেননি, খামেনি আর বেঁচে নেই।

তিনি শুধু বলেন, যেসব তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যাচ্ছে, তাতে ক্রমেই আভাস স্পষ্ট হচ্ছে যে ইরানের ‘স্বৈরশাসক’ আর নেই।

বাংলাদেশ সময় শনিবার দিবাগত রাতে টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ তথ্য দাবি করেন নেতানিয়াহু। তবে ইরানের তরফ থেকে এ ব্যাপারে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট তথ্য আসেনি।

অবশ্য এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছিলেন, খামেনি কী অবস্থায় আছেন, তা স্পষ্ট করে বলার মতো অবস্থায় নেই তিনি।