AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

চট্টগ্রামের ২৮ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, সত্যতা পায়নি পিবিআই | ক্রাইম বাংলা | Crime Bangla
back to top

চট্টগ্রামের ২৮ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, সত্যতা পায়নি পিবিআই

প্রকাশিত: ০৯ মার্চ, ২০২৬ ১৮:২০

চট্টগ্রাম আদালতে এক নারীর দায়ের করা মামলায় সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত এবং চট্টগ্রামের পেশাদার ২৮ সাংবাদিকসহ মোট ১০৯ জনের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পায়নি পুলিশ।

তদন্ত সংস্থা পিবিআই দফায় দফায় নালিশি মামলার বাদীকে সাক্ষ্য-প্রমাণ হাজির করতে নোটিশ দিলেও বারবার এড়িয়ে গেছেন তিনি।

তদন্ত শেষে পিবিআই ঘটনার সত্যতা পায়নি। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। সোমবার এ তথ্য জানাজানি হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, বাদীর আরজিতে আনা অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।

তদন্তে সহযোগিতা করতে বাদীকে হাজির হয়ে তাঁর বক্তব্য দিতে চারবার নোটিশ দিলেও তিনি হাজির হননি। মামলার বিষয়ে কোনো তথ্য ও বক্তব্য দেননি তিনি।

এ ছাড়া বাদী মামলায় অন্য যেসব সাক্ষীর নাম-ঠিকানা দিয়েছেন, তাদের নোটিশ দিলে তারাও হাজির হননি। মামলায় জব্দ করার মতো কোনো আলামতও পাওয়া যায়নি।

২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আদালতে মামলাটি করেন নগরের মোহরা সায়রা খাতুন কাদেরিয়া গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ হাসিনা মমতাজ। পরে আদালত পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সাংবাদিকরা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় প্রকৃত ঘটনা গোপন করে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার করেন।

৪ আগস্ট বাদী যখন নিউমার্কেট এলাকায় ছিলেন, তখন আওয়ামী লীগের সশস্ত্র কর্মীরা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান ও গুলি ছোড়েন। শিক্ষার্থীরা গলিতে লুকানোর চেষ্টা করলে সাংবাদিকরা তাদের মারধর করেন। আওয়ামী লীগ নেতাদের হাতে তুলে দেন।

সাংবাদিকরা প্রকৃত ঘটনাগুলো তুলে না ধরে উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রকাশ করেছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বাদীকে অপহরণের চেষ্টা করেছিলেন; কিন্তু তিনি নিজেকে রক্ষা করতে সক্ষম হন।

জুলাই আন্দোলনে হতাহতের ঘটনায় চট্টগ্রাম ও মহানগরে এ পর্যন্ত ১৪৮টি মামলা হয়েছে। এসব এজাহারনামীয় আসামির সংখ্যা ১৩ হাজার ২৭। এর বাইরে অজ্ঞাতপরিচয় আসামির সংখ্যা অন্তত ৩০ হাজার।

এসব মামলায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, চিহ্নিত সন্ত্রাসী ছাড়াও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন এমন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষকেও আসামি করা হয়েছে।

মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর মা ও চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন, সংবাদিক শুকলাল দাশ, রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, কমল কান্তি দে, অনুপম শীল, দেবদুলাল ভৌমিক, আজহার মাহমুদ, তপন চক্রবর্তী, উজ্জ্বল কান্তি ধর, মহসিন কাজী, একরামুল হক, রমেন দাশ গুপ্ত, মিন্টু চৌধুরী, উত্তম সেন গুপ্ত, কুতুব উদ্দিন, রুনা আনসারি, রফিকুল বাহার, মাসুদুল হক, বিশ্বজিৎ রাহা, সমরেশ বৈদ্য ও সৌরভ ভট্টাচার্য্য।

এ ছাড়া যুবলীগের নেতা হেলাল আকবর চৌধুরী, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা নূরুল আজিম রনি , ছাত্রলীগ অন্যান্য নেতা-কর্মীসহ ৫০ থেকে ৬০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয় মামলায়।