AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

রাউজানে ডাকাতির লুণ্ঠিত মালামালসহ চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার | ক্রাইম বাংলা | Crime Bangla
back to top

রাউজানে ডাকাতির লুণ্ঠিত মালামালসহ চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ১৮ মার্চ, ২০২৬ ১৪:২০

চট্টগ্রামের রাউজানে এক প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল মঙ্গলবার পাহাড়তলী ও বাগোয়ান ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় রাতভর অভিযান চালিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত মালামাল ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তাকৃতরা মূলত সিলেট অঞ্চল থেকে এসে চট্টগ্রামে ডাকাতি করত।

এর আগে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) মধ্যরাতে রাউজান থানাধীন পাহাড়তলী ইউনিয়নের দেওয়ানপুর এলাকায় এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ১৪ থেকে ১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ওই প্রবাসীর পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে।

পরে তাদের একটি কক্ষে আটকে রেখে নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোনসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল লুট করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তারা।

স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযানে নামে পুলিশ। জনগণের সহায়তায় অল্প সময়ের মধ্যেই আসামিদের শনাক্ত করা হয়। পরে রাতভর অভিযান চালিয়ে চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি লকেটসহ চেইন, এক জোড়া কানের দুল, ১৩টি হাতের চুড়ি, তিনটি ব্রেসলেট, একটি হাতঘড়ি, নগদ চার হাজার ৯৮৪ টাকা, একটি মোবাইল ফোন এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত স্ক্রু ড্রাইভার, প্লাস ও রেঞ্জসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান জানান, এ ডাকাত দলের মূলহোতা ফজর আলী চট্টগ্রামের হলেও বাকি সদস্যরা সিলেটের হবিগঞ্জ থেকে এসে ডাকাতি করত।

ঘটনার দিন সকালে তারা হবিগঞ্জ থেকে বাস ও ট্রেনে করে চট্টগ্রামে পৌঁছায়। সন্ধ্যার দিকে আলাদা হয়ে পাহাড়তলী এলাকায় অবস্থান নেয় তারা।

পরে পাহাড়তলী বাজারে চা-নাস্তা খেয়ে রাত ১১টার দিকে ঘটনাস্থলের আশেপাশের ঝোপের মধ্যে লুকিয়ে থাকে। মূলত টার্গেটের ভিত্তিতে সারা দেশে এই চক্রটি ডাকাতি করে বলে জানান তিনি।

গ্রেপ্তাররা হলো হবিগঞ্জের বাহুবল থানার কবির হোসেন প্রকাশ জীবন (৪৬), মাধবপুর থানার আশিক (৪২), বুদু মিয়া (২২), আবুল কালাম (২২), মো. মিটু (২৮) ও মো. মামুন মিয়া (৩০), সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানার আলী আহম্মদ প্রকাশ মনু মিয়া (২৩) ও গোলাপগঞ্জ থানার মনোয়ারুজ্জামান ইমন (২৭) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর থানার আবুল হোসেন (৩২)। এদের মধ্যে পলাতক রয়েছে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার ফজর আলী প্রকাশ বাটন প্রকাশ ডিপজল (৩১) এবং বাহুবল থানার আমিন আলী (৩৪)।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা পেশাদার ডাকাত চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে।

পুলিশের তথ্যমতে, কবির হোসেনের বিরুদ্ধে ১৩টি, আশিকের বিরুদ্ধে পাঁচটি, আলী আহম্মদের বিরুদ্ধে একটি, আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে একটি, আবুল কালামের বিরুদ্ধে একটি, মিটুর বিরুদ্ধে তিনটি, মনোয়ারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ১১টি এবং মামুনের বিরুদ্ধে ১০টি মামলা রয়েছে।

তবে বুদু মিয়ার নামে কোনো মামলা নেই। অন্যদিকে পলাতক ফজর আলীর নামে ২৯টি এবং আমিন আলীর বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা রয়েছে।