AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

সীতাকুণ্ডে আ্যগ্রো ফার্মে আগুন: ২৩ গরু-ছাগলের মৃত্যু | ক্রাইম বাংলা | Crime Bangla
back to top

সীতাকুণ্ডে আ্যগ্রো ফার্মে আগুন: ২৩ গরু-ছাগলের মৃত্যু

প্রকাশিত: ২৮ মার্চ, ২০২৬ ১৩:২৪

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী এলাকায় আগুন লেগে একটি আ্যগ্রোফার্মসহ পাঁচটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

এ ঘটনায় ১০টি গরু ও ১৩টি ছাগল পুড়ে মারা গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৩০ লাখ টাকার বেশি বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

শুক্রবার রাত ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে ভাটিয়ারী বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমী-এর ১ নম্বর গেইট সংলগ্ন এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, একটি আ্যগ্রোফার্মে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে তা দ্রুত আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সড়কের পাশে মা-বাবার দোয়া ডেইরি অ্যান্ড আ্যগ্রোফার্ম এবং রুবেল হোসেন, নিখিল দাস, মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, মোহাম্মদ দেলোয়ার ও মো. শুক্কুরের দোকানগুলো আগুনে সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, আগুনে ভস্মীভূত স্থাপনার ওপর দিয়ে প্রায় ১১-১২ ফুট উচ্চতায় গ্যাস পাইপলাইন স্থাপিত থাকায় স্থানীয়রা আগুন নেভাতে এগিয়ে যেতে ভয় পান। পাইপলাইন বিস্ফোরণের আশঙ্কায় পরিস্থিতি আরও আতঙ্কজনক হয়ে ওঠে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্যাসলাইনটি মাটির নিচে থাকার কথা থাকলেও পাশের কারখানাগুলোতে সরবরাহের জন্য ওপরে ঝুলিয়ে নেওয়া হয়েছে, যা বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে।

আ্যগ্রোফার্মের মালিক হাবিবুর রহমান মিন্টু জানান, প্রায় ৬ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত তার ফার্মে আগুনে ১০টি গরু ও ১৩টি ছাগল পুড়ে মারা গেছে। এর মধ্যে তিনটি গাভী শিগগিরই বাচ্চা দেওয়ার কথা ছিল।

তিনি জানান, ব্যবসার জন্য ব্র্যাক ব্যাংক থেকে ৯ লাখ টাকা এবং একটি এনজিও থেকে আরও ৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। এখন সব হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি।

ক্ষতিগ্রস্ত চায়ের দোকানদার রুবেল বলেন, “মাত্র দুই মাস আগে এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে দোকান শুরু করেছিলাম। এখন সব পুড়ে নিঃস্ব হয়ে গেছি। পরিবারের খাবার জোগাড় করাও কঠিন হয়ে পড়বে।”

সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কল্লোল বড়ুয়া জানান, আগুনে ১০টি গরু ও ১৩টি ছাগল পুড়ে গেছে এবং আ্যগ্রোফার্মের ক্ষতি ৩০ লাখ টাকারও বেশি হয়েছে।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, ফায়ার সার্ভিস সময়মতো পৌঁছালে ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা হলেও কমানো যেত এবং কিছু গবাদিপশু রক্ষা পেত।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর কুমিরা সাব-স্টেশনের কর্মকর্তা আহসান আলী জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে বিস্তারিত জানা যাবে।