AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

সিটি কলেজে হামলা: বিচার দাবি, গ্রেপ্তার চান সাদিক কায়েম | ক্রাইম বাংলা | Crime Bangla
back to top

সিটি কলেজে হামলা: বিচার দাবি, গ্রেপ্তার চান সাদিক কায়েম

প্রকাশিত: ২২ এপ্রিল, ২০২৬ ০৮:৩৪

চট্টগ্রামে পুলিশের উপস্থিতিতেই হকিস্টিক ও চাপাতি নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ঢাকসু) ভিপি ও ছাত্রশিবির নেতা সাদিক কায়েম।

তিনি দাবি করেন, হামলার সময় পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করেছে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

সাদিক কায়েম বলেন, ফ্যাসিবাদী আমলে ছাত্রলীগ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালালেও পুলিশ ও প্রশাসন নীরব থাকত। কিন্তু জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরও যদি একই ধরনের ঘটনায় পুলিশ নীরব থাকে, তাহলে তা অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ।

তিনি অভিযোগ করেন, দায়িত্বে অবহেলায় যারা জড়িত এবং যারা হামলাকারীদের প্রতিরোধ করেনি, তাদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সাম্প্রতিক হামলায় ছাত্রশিবিরের অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও বহিরাগতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে তারা পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেছেন।

সাদিক কায়েম বলেন, দেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বহিরাগত সন্ত্রাসী এনে হকিস্টিক, চাপাতি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

তার দাবি, গতকাল ছাত্রদলের ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা’ ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর নৃশংস হামলা চালিয়েছে। এতে ৩০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। হামলায় কয়েকজন শিক্ষকও আহত হয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। গুরুতর আহতদের মধ্যে ছাত্রশিবিরের এক ওয়ার্ড সভাপতি আশরাফুল রয়েছেন।

সাদিক কায়েম জানান, চাপাতির আঘাতে তার পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী বলেন, সিটি কলেজের ঘটনার পর আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি।

ক্যাম্পাস ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। যারা সংঘর্ষে জড়িত ছিল, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, সংঘর্ষের সময় দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের কোনো গাফিলতি ছিল কি না সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।

যদি কারও দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের লালদীঘি এলাকায় সিএমপি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

কোনো পক্ষও লিখিত অভিযোগ বা মামলা দেয়নি। তবে পুলিশ নিজ উদ্যোগে ঘটনাটির ভিডিওচিত্র ও অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করছে।

এদিকে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখা।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে স্মারকলিপি তুলে দেন কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমসহ শাখার অন্যান্য নেতারা।