AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

AVRIL_START_JANCOKALIVEAVRIL_END_JANCOK Interactive Terminal

Command Executor

দায়িত্বের ফাঁকেও মানবিকতার দৃষ্টান্ত | ক্রাইম বাংলা | Crime Bangla
back to top

দায়িত্বের ফাঁকেও মানবিকতার দৃষ্টান্ত

প্রকাশিত: ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৮

শত ব্যস্ততার মাঝেও থেমে নেই সারাদেশে ‘মানবিক ডিসি’ হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার মানবিক কার্যক্রম।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে দিন–রাত প্রচণ্ড ব্যস্ততার মধ্যেও সময় বের করে তিনি অসহায় মানুষের দুঃখগাথা শুনছেন।

প্রায় প্রতিদিনই জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আর্থিক সহায়তার আবেদন নিয়ে আসা মানুষের সঙ্গে নিজে সময় দিচ্ছেন জেলা প্রশাসক।

সরকারি সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সাধ্যমতো সহায়তা দিয়ে তিনি অসহায় নাগরিকদের পাশে মানবতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন নিয়মিত।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার এই অভিভাবক কাউকেই খালি হাতে ফিরিয়ে দিচ্ছেন না।

আজ রবিবার (২৫ জানুয়ারি) শারীরিক প্রতিবন্ধী মো. বেলায়েত হোসেন মাস্টার্স শ্রেণিতে ভর্তির টাকা সংগ্রহের আশায় সরাসরি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলামের কাছে আসেন।

বেলায়েত ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার হাটঘাটা গ্রামের হেদায়েত মোল্লা ও বিলকিস বেগম দম্পতির সন্তান। যদিও তিনি পরিবারের সঙ্গে বর্তমানে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।

বেলায়েতের মা নিজেও অসুস্থ। সংসার চালাতে হিমশিম খাওয়া দরিদ্র হেদায়েত মোল্লার পক্ষে স্ত্রীর চিকিৎসা ব্যয় বহন করাই যেখানে অসম্ভব, সেখানে শারীরিক প্রতিবন্ধী সন্তানের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করা ছিল প্রায় অলীক স্বপ্ন। বাধ্য হয়েই তাই আজ জেলা প্রশাসকের শরণাপন্ন হন বেলায়েত।

মানবিক জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম শারীরিক প্রতিবন্ধী এই শিক্ষার্থীর দুর্দশা ও স্বপ্নের কথা ধৈর্যসহকারে নিজের কার্যালয়ে বসে শোনেন।

পরে তিনি মাস্টার্স শ্রেণিতে ভর্তির জন্য তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। একই সঙ্গে বেলায়েতের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দেন।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম এই প্রতিবেদককে টেলিফোনে বলেন,“প্রশাসনিক কাজে আমি যত ব্যস্তই থাকি, চেষ্টা করি যেন কোনো সাহায্যপ্রার্থী নাগরিক জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে হতাশ হয়ে ফিরে না যান।

জেলার অভিভাবক হিসেবে যে কোনো নাগরিকের পাশে থাকা আমার পবিত্র দায়িত্ব।”